Skip to main content

Posts

ভালোবাসা

ভালোবাসা আজ জীবনের একটি মোড়ে                    একা দাঁড়িয়ে আছে।                    সবকিছু তোমায় দিয়ে                    আজ নিঃস্ব হয়ে গেছে।                  আমায় ভুলে চলে গেলে                   অনেক অনেক দূরে ।                  তবুও তোমার দেওয়া ব্যথা                    মনে নিয়ে আমি,                   আজও এখনো বেঁচে আছি।                  জানি আর মনে পড়ে না                  তোমার আমাকে। কিন্তু,                 তোমাকে মনে পড়ে বলেই            ...
Recent posts

বাংলার ভৌতিক লোককথা (দ্বিতীয়পর্ব )

        বাংলার ভৌতিক লোককথা (দ্বিতীয়পর্ব ) বাংলার ভৌতিক লোককথার  এই পর্বে আমরা  লোকসাহিত্যে বর্ণিত আরও কিছু ভুতুড়ে চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করব-                                                    জিন: জিন জাতিতে হলো মুসলিম। এরা এক অশরীরী  ও শয়তান। এদের কোন রোগ নেই এরা অন্ধকারে      সবার অন্তরালে বাস করে।              আরবি জিন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো অদৃশ্য বা গুপ্ত। এরা বিভিন্ন প্রজাতির হয়ে থাকে যেমন জিন-শয়তান, এরা শয়তানের বংশধর যারা ভগবানের আদেশ অমান্য করে খারাপ পথ বেছে নেয় এবং মানুষের ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। এরা বিভিন্ন রূপও ধারণ করতে পারে।                       দ্বিতীয় হল ক্কারিন, এরা মানুষের মনে পাপের সঞ্চার ঘটায়। এরপর রয়েছে খাসিব, এরা নোংরা স্থানে থাকে এবং মানুষের ক্ষতি ...

পালং শাকের রুটি প্রস্তুতি

                    পালং শাকের রুটি  প্রস্তুতি উপকরণ: আটা- 250 গ্রাম, পালংশাক- 125 গ্রাম, নুন প্রয়োজনমতো, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো এবং জিড়েগুঁড়ো প্রয়োজনমতো, জল- 1 কাপ। পদ্ধতি: প্রথমে পালংশাক বেছে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তারপর, ওই পালংশাক কুচিয়ে নিতে হবে। গ্যাস ওভেনে কড়াই চাপিয়ে তাতে কুচনো পালংশাক, অল্প নুন, জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ করে তা নামিয়ে নিতে হবে। এবার সেদ্ধ পালংশাক চটকে একে একে তাতে  স্বাদ অনুসারে লঙ্কাগুঁড়ো, জিড়ে গুঁড়ো, হলুদ, নুন ও জল দিয়ে আটার সাথে ভাল করে মেখে নিতে হবে। মাখা আটার ছোট ছোট লেচি করে বেলনচাকিতে বেলে নিয়ে তারপর কড়াইয়ে ভালো করে সেকে নিলেই পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে পালং শাকের রুটি।                                                                                ...

কাজুবাদামের সুজি প্রস্তুতি

কাজুবাদামের সুজি প্রস্তুতি                        উপকরণ:   সুজি- 50 গ্রাম, দুধ- 50ml, চিনি- 50 গ্রাম, ঘি- 10গ্রাম,  জল- 50ml,  তেজপাতা পরিমাণমতো, এলাচ- 3টি, কাজুবাদাম ও কিসমিস- 6 থেকে 7টি । পদ্ধতি: প্রথমে কড়াইয়ে ঘি গরম করে কাজুবাদামগুলো লাল করে ভেজে নিতে হবে। এরপর, অন্যএকটি ডেকচিতে দুধ ও জল মিশিয়ে তার মধ্যে এলাচ, তেজপাতা দিয়ে     ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে।    কাজুবাদাম গুলো ভাজা হয়ে গেলে, ওই কড়াইয়ে ঘি দিয়ে সমস্ত সুজি লাল করে ভেজে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর, ডেকচিতে দুধ ও জল ভালো করে ফুটে গেলে তার মধ্যে চিনি মিশিয়ে দিতে হবে। দুধ ও জলের মিশ্রণে চিনি ভালো করে মিশে গেলে, তাতে কাজুবাদাম সমেত ভাজা সুজি ঢেলে দিতে হবে। এরপর, উপর থেকে কিশমিশ ছড়িয়ে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এখন কাজুবাদামের সুজি পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।                                          ...

গ্রীস্মের দিন

                            গ্রীস্মের দিন প্রকৃতির নানা রূপ যা সময়ের সাথে সাথে বদলে যায়। নানান রঙের মেলায় ভরিয়ে রাখে সে সকলকে। আজও তাঁর এক  চিরনতুন খেলা শুরুর পালা। আজ সে কঠিন, প্রখর এবং শুষ্ক। সকলের কাছে সে বড়োই নিষ্ঠুর।             চারিদিক ধু ধু করছে যেদিকেই চোখ যায় মনে হচ্ছে, সূর্য তাঁর প্রখর তাপ ও তেজে সকলকেই ক্লান্ত করে তুলেছে। তাঁর এই উজ্জ্বল রূপ আগে কখনো এতটা সুস্পষ্ট হয়ে ধরা দেয়নি। মেঘেরাও আজ তাঁকে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখতে রাজি নয়।           পাখিরা খোলা আকাশের পথ ভুলে নিজেদের বাসার দিকে পা বাড়িয়েছে। বাতাসের ছোঁয়ায় সেই পুরনো শীতল অনুভূতি কোথাও যেন হারিয়ে গেছে।             গাছগুলি রাস্তার ধারে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে, শীতল ছায়া প্রদান করছে। তবে আজ তারাও যেন গ্রীস্মের তীব্র তার কাছে হার মানল।               নদীতে জলের গভীরতা ততটা নয় তা যেন শুকিয়ে আসছে। ত...

একটি শীতের সকাল

                                                একটি শীতের সকাল                                          আজ চারিদিক ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। সমস্ত প্রকৃতি শান্ত ও নিরব, কোন শব্দ কানে এসে পৌঁছাচ্ছেনা। শীতের এই অলসতার আবহাওয়ায় সকলেই আচ্ছন্ন হয়ে আছে। এরই মাঝে সূর্য তাঁর সারারাতের আলস্য কাটিয়ে মুচকি হেসে দেখা দিয়েছে। আজ তার সেই পুরাতন তাপ ও তেজ ততটা প্রখর নয়, আলোও  স্নিগ্ধ। তাঁর এই উষ্ণতা আজ সকলের কাছে খুবই আরামদায়ক।             পাখিরা ভোরের আলো প্রস্ফুটিত হওয়ামাত্র নিজেদের বাসা থেকে বেরিয়ে পড়েছে খোলা আকাশে উড়বার জন্য। কিন্তু চারদিকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকায় সেই অতি পরিচিত আকাশ আজ নজরে আসছে না। তাই পাখিরাও ধীরে ধীরে  অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, তারা যেন এক অন্য কোন দেশে গিয়ে পৌঁছে গেছে আ...

বাংলার ভৌতিক লোককথা ( প্রথম পর্ব)

         বাংলার ভৌতিক লোককথা (  প্রথম পর্ব)                 বাংলার লোকসাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করবার সময় প্রথমেই যা নজরে আসে তাহল বাংলার ভৌতিক লোককথা। এই ভৌতিক লোককথার গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো ভুতুড়ে চরিত্র। ভূত হল এক ধরনের অতৃপ্ত আত্মা। প্রাচীন লোককথা থেকে জানা যায়, মৃত্যুর পর যে সমস্ত মানুষের আত্মা শান্তি খুঁজে পাইনি পৃথিবীতেই ঘুরে বেড়িয়েছে তারাই হল ভূত।শুধু তাই নয় লোকসাহিত্য এটাও বলা হয়েছে, জীবজন্তুর আত্মাও মৃত্যুর পরে মুক্তি না পেলে অশরিরীয় শক্তিতে পরিণত হয়।বাংলার ভৌতিক লোককথায় ভুত, দৈত্য- দানব এই চরিত্রগুলি খুবই স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে।শুধুমাত্র প্রাচীনকালে নয় বর্তমান সময়কালের রূপকথার গল্পেও এই চরিত্রগুলির বিবরণ পাওয়া যায়।                      ভারতীয় লোকসাহিত্যে অনেক প্রকার ভুতূরে চরিত্রের প্রকাশ পাওয়া যায়। সেই সম্পর্কে নিম্নে কিছু ধারণা প্রদান করা হলো- পেত্নি: প্রাচীন  ভৌতিক লোককথার একটি জনপ্রিয় চরিত্র হল পেত্নি । এরা হল নারীদের অ...