Skip to main content

কাজুবাদামের সুজি প্রস্তুতি

কাজুবাদামের সুজি প্রস্তুতি
                
     
উপকরণ: সুজি- 50 গ্রাম, দুধ- 50ml, চিনি- 50 গ্রাম, ঘি- 10গ্রাম, জল- 50ml, তেজপাতা পরিমাণমতো, এলাচ- 3টি, কাজুবাদাম ও কিসমিস- 6 থেকে 7টি

পদ্ধতি:প্রথমে কড়াইয়ে ঘি গরম করে কাজুবাদামগুলো লাল করে ভেজে নিতে হবে। এরপর, অন্যএকটি ডেকচিতে দুধ ও জল মিশিয়ে তার মধ্যে এলাচ, তেজপাতা দিয়ে  ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। 
 কাজুবাদাম গুলো ভাজা হয়ে গেলে, ওই কড়াইয়ে ঘি দিয়ে সমস্ত সুজি লাল করে ভেজে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর, ডেকচিতে দুধ ও জল ভালো করে ফুটে গেলে তার মধ্যে চিনি মিশিয়ে দিতে হবে। দুধ ও জলের মিশ্রণে চিনি ভালো করে মিশে গেলে, তাতে কাজুবাদাম সমেত ভাজা সুজি ঢেলে দিতে হবে। এরপর, উপর থেকে কিশমিশ ছড়িয়ে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এখন কাজুবাদামের সুজি পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। 
                                                                           
    English translation             
               
          Almond semolina preparation
Ingredients: semolina - 50 gm, milk - 50ml, sugar - 50 gm, ghee - 10 gm, water - 50ml, bay leaf quantity, cardamom - 3, almonds and raisins - 6 to 7.

Method: First heat ghee in a pan and fry the almonds till they turn red. Next, mix milk and water in another saucepan and boil it well with cardamom and bay leaves.
        Once the almonds are fried, fry all the semolina red with ghee in the pan. Then, when the milk and water boil well in the pan, add sugar in it. Once the sugar is well mixed in the milk and water mixture, add the fried semolina along with the almonds. Then, spread raisins on top and boil well. Now the almond semolina is ready to serve.
           

Comments

Popular posts from this blog

বাংলার ভৌতিক লোককথা ( প্রথম পর্ব)

         বাংলার ভৌতিক লোককথা (  প্রথম পর্ব)                 বাংলার লোকসাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করবার সময় প্রথমেই যা নজরে আসে তাহল বাংলার ভৌতিক লোককথা। এই ভৌতিক লোককথার গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো ভুতুড়ে চরিত্র। ভূত হল এক ধরনের অতৃপ্ত আত্মা। প্রাচীন লোককথা থেকে জানা যায়, মৃত্যুর পর যে সমস্ত মানুষের আত্মা শান্তি খুঁজে পাইনি পৃথিবীতেই ঘুরে বেড়িয়েছে তারাই হল ভূত।শুধু তাই নয় লোকসাহিত্য এটাও বলা হয়েছে, জীবজন্তুর আত্মাও মৃত্যুর পরে মুক্তি না পেলে অশরিরীয় শক্তিতে পরিণত হয়।বাংলার ভৌতিক লোককথায় ভুত, দৈত্য- দানব এই চরিত্রগুলি খুবই স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে।শুধুমাত্র প্রাচীনকালে নয় বর্তমান সময়কালের রূপকথার গল্পেও এই চরিত্রগুলির বিবরণ পাওয়া যায়।                      ভারতীয় লোকসাহিত্যে অনেক প্রকার ভুতূরে চরিত্রের প্রকাশ পাওয়া যায়। সেই সম্পর্কে নিম্নে কিছু ধারণা প্রদান করা হলো- পেত্নি: প্রাচীন  ভৌতিক লোককথার একটি জনপ্রিয় চরিত্র হল পেত্নি । এরা হল নারীদের অ...

পালং শাকের রুটি প্রস্তুতি

                    পালং শাকের রুটি  প্রস্তুতি উপকরণ: আটা- 250 গ্রাম, পালংশাক- 125 গ্রাম, নুন প্রয়োজনমতো, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো এবং জিড়েগুঁড়ো প্রয়োজনমতো, জল- 1 কাপ। পদ্ধতি: প্রথমে পালংশাক বেছে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তারপর, ওই পালংশাক কুচিয়ে নিতে হবে। গ্যাস ওভেনে কড়াই চাপিয়ে তাতে কুচনো পালংশাক, অল্প নুন, জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ করে তা নামিয়ে নিতে হবে। এবার সেদ্ধ পালংশাক চটকে একে একে তাতে  স্বাদ অনুসারে লঙ্কাগুঁড়ো, জিড়ে গুঁড়ো, হলুদ, নুন ও জল দিয়ে আটার সাথে ভাল করে মেখে নিতে হবে। মাখা আটার ছোট ছোট লেচি করে বেলনচাকিতে বেলে নিয়ে তারপর কড়াইয়ে ভালো করে সেকে নিলেই পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে পালং শাকের রুটি।                                                                                ...

বাংলার ভৌতিক লোককথা (দ্বিতীয়পর্ব )

        বাংলার ভৌতিক লোককথা (দ্বিতীয়পর্ব ) বাংলার ভৌতিক লোককথার  এই পর্বে আমরা  লোকসাহিত্যে বর্ণিত আরও কিছু ভুতুড়ে চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করব-                                                    জিন: জিন জাতিতে হলো মুসলিম। এরা এক অশরীরী  ও শয়তান। এদের কোন রোগ নেই এরা অন্ধকারে      সবার অন্তরালে বাস করে।              আরবি জিন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো অদৃশ্য বা গুপ্ত। এরা বিভিন্ন প্রজাতির হয়ে থাকে যেমন জিন-শয়তান, এরা শয়তানের বংশধর যারা ভগবানের আদেশ অমান্য করে খারাপ পথ বেছে নেয় এবং মানুষের ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। এরা বিভিন্ন রূপও ধারণ করতে পারে।                       দ্বিতীয় হল ক্কারিন, এরা মানুষের মনে পাপের সঞ্চার ঘটায়। এরপর রয়েছে খাসিব, এরা নোংরা স্থানে থাকে এবং মানুষের ক্ষতি ...